সকল বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আজকে যারা সফল হয়েছে

আলবার্ট আইনস্টাইন
অনেক বড় বড় আবিষ্কারক হিসেবে আমরা যাকে চিনি। একটা  সত্য কথা হোল  তিনি ছিলেন একজন ডিসলেক্সিক ( যাকে বলা হয়  এক ধরনের ডিজঅর্ডার । এর ফলে মানুষ পড়াশোনা করতে অনেকটা অক্ষম হয়ে পড়ে) তার সাথে কিছুটা অটিস্টিক বটে । তিনি তার জীবনে ৭ বছরের আগে স্কুলে ভর্তি হতে সক্ষম হতে পারেননি। কিন্তু তাই বলে তিনি তার  এই সকল  অবস্থার ভেতরেও গণিতের প্রতি অনেক ভালবাসা এবং সাথে সাথে  অক্ষমতার সঙ্গে এক যুদ্ধ করার একটি পথ খুঁজে পেয়েছিলেন।

টমাস আলভা এডিসন
বৈদ্যুতিক বাতি যা আমরা সবাই ব্যবহার করে থাকি । এর  হোল  আবিষ্কারক থমাস এ্যালভা এডিসন। এই উদ্ভাবকের ছিল Dyslexia এর মতো অনেক  কঠিন রোগ । তিনি আংশিকভাবে কিছুটা বধিরও ছিলেন বটে। স্কুলে যখন তিনি  লেখাপড়া করতেন তখন তিনি এতটাই খারাপ ছিলেন। তাঁর সকল শিক্ষকরা মজা করে  বলতেন, ‘শিক্ষার্জনের জন্য তোমার যে পেট আছে তা তো খুবই নির্বোধ।তুমি তোমার পেটকে বাড়িতে নিয়ে যাও।’

আরও যারা আছেন

হেলেন অ্যাডামস কেলার
তার অনেক প্রতিভা  একাধারে তিনি সুবক্তা, প্রতিবাদকারী আছে  সমাজতন্ত্রবাদীতা ও লেখিকা। শুনলে আপনি অনেক হবেন যে তিনি একজন অন্ধ ও বধির এবং মূক। তিনি তার জীবন এ মাত্র তিন বছর বয়সে প্রচণ্ড  জ্বরে তাঁর দৃষ্টি, শ্রবণ এবং সাথে তার  বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন।

লুডউইগ ভ্যান বিটোফেন
সবসময় কার বিখ্যাত সুরকার তিনি । তার নাম  লুডউয়িগ ভ্যান বিটোভেন । জীবনের শেষ ২৫ বছরটা তার ভালো ছিল না। তিনিও  বধির ছিলেন। এতো কিছু সত্ত্বেও তিনি সেই সময়ের মধ্যেই অনেক  বিখ্যাত সুর সৃষ্টি করেন। তাঁর Ninth Symphony প্রথমবার পরিবেশিত হওয়ার পর বিপুল পরিমান  শ্রোতারা তাকে  করতালির মাধ্যমে অভিনন্দন জানান।

মার্সেল অ্যাপন
শারীরিক প্রতিবন্ধীতা থাকা সত্ত্বেও তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন । জীবন এর এক সময় এক দুর্ঘটনায় তিনি তাঁর দুই হাত হারান । এরপর ও  জীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি  চরম লড়াই করেছেন।

স্টিফেন হকিং
এক নামে আমরা যাকে চিনি ।তিনি  সময়ের সবচেয়ে আলোচিত একজন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।তার জীবন এর সময়টা ভালো ছিল না। মাত্র ২১ বছর বয়সে Motor neuron ডিজিজ  ধরা  পড়ে তার দেহে । ডাক্তাররা তাকে  বলেছিলেন তিনি ৩/৪ বছরের বেশি আর বাঁচবেন না।

নিক ভূগিসিক
জন্ম থেকেই তিনি তার শরীর এর  হাত-পা বিহীন একজন মানুষ । এটাই শেষ না বর্তমানে  তিনি হয়েছেন পৃথিবীর একমাত্র  সেরা বক্তাদের মধ্যে একজন। ছোটকালে ‘Tetra-amelia-syndrome’ নামে এক বিরল রোগ নিয়ে জন্মেছেন তিনি তাই তার এই অবস্থাকে তিনি মেনে এখন পর্যন্ত কাজ করে থাকেন ।